Amardesh Online......................

 Barisal Division(6)
  Barguna
  Barisal
  Bhola
  Jhalokati
  Patuakhali
  Pirojpur
 Chittagong Division(11)
  Bandarban
  Brahmanbaria
  Chandpur
  Chittagong
  Comilla
  Cox's Bazar
  Feni
  Khagrachhari
  Lakshmipur
  Noakhali
  Rangamati
 Dhaka Division(17)
  Dhaka
  Faridpur
  Gazipur
  Gopalganj
  Jamalpur
  Kishoreganj
  Madaripur
  Manikganj
  Munshiganj
  Mymensingh
  Narayanganj
  Narsingdi
  Netrokona
  Rajbari
  Shariatpur
  Sherpur
  Tangail
 Khulna Division(10)
  Bagerhat
  Chuadanga
  Jessore
  Jhenaidaha
  Khulna
  Kushtia
  Magura
  Meherpur
  Narail
  Satkhira
 Rajshahi Division(8)
  Bogra
  Joypurhat
  Naogaon
  Natore
  Nawabganj
  Pabna
  Rajshahi
  Sirajganj
 Rangpur Division(8)
  Dinajpur
  Gaibandha
  Kurigram
  Lalmonirhat
  Nilphamari
  Panchagarh
  Rangpur
  Thakurgaon
 Sylhet Division(4)
  Habiganj
  Maulvi Bazar
  Sunamganj
  Sylhet
Meherpur District (Khulna division)
Meherpur News
এক নজরে জেলাজেলার পটভূমিভৌগলিক প্রোফাইল
শিল্প ও বাণিজ্যখেলাধূলা ও বিনোদনভাষা ও সংস্কৃতি
খনিজ সম্পদযোগাযোগ ব্যবস্থামুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা
প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বজন প্রতিনিধিউপজেলা ও ইউনিয়ন
ইউনিয়ন তথ্য ও সেবা কেন্দ্রশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকাখাদ্য উৎপাদন
হাসপাতাল ও ক্লিনিকডাক্তারের তালিকাস্বাস্থ্য কর্মীর তালিকা
হোটেল ও আবাসনদর্শনীয় স্থানজেলার ঐতিহ্য
এক নজরে জেলা

vvv ভভভভভভভভভভvvvvভভভভভভভভভভ







রোভার স্মৃতিসৌধ





সরকারী করেজে অবস্থিত শহীদ মিনার




মেহেরপুর শিল্পকলা একাডেমী




বল্লভপুর চার্চ





উদ্বৃত্ত খাদ্য শস্যের জেলা মেহেরপুর




মেহেরপুর হল





মেহেরপুর সদরে বড় মসজিদ





মেহেরপুর সরকারী কলেজ




শহীদ মিনার









নামকরণ

মেহেরপুর নামকরণ সম্পর্কে এ পর্যন্ত দুটি অনুমানসিদ্ধ তথ্য আমরা জানতে পেরেছি। একটি হচ্ছে ইসলাম প্রচারক দরবেশ মেহের আলী নামীয় জনৈক ব্যক্তির নামের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ষোড়শ শতকের অথরা তার কিছুকাল পরে মেহেরপুর নামকরণের সৃষ্টি হয়েছে।

এ অঞ্চলে মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হতেই ইসলাম ধর্ম প্রচার শুরু হয়েছিল। বৃহত্তর কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বারোবাজার, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরসহ প্রভৃতি অঞ্চলে ব্যাপকভাবে ইসলাম প্রচার শুরু করেন হযরত খাঁন জাহান আলী (রাঃ)। পীর খান জাহান আলী গৌড় থেকে ভৈরব নদী পথে মেহেরপুর হয়ে বারোবাজার গিয়ে বাগেরহাট গিয়েছিলেন। তার সাথে সেই সময়ে ৩৬০ জন দরবেশ ও ৬০ হাজার সৈন্য ছিল বলে কথিত আছে। তিনি সমগ্র দক্ষিণাঞ্চরে ইসলামের বিজয় পতাকা উত্তোলন করে জনবসতি ও শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করেন। এ অঞ্চলে ঐ একই সময়েই বেশ কয়েকজন ইসলামের ঝান্ডাবাহক আল্লাহর পরম আশীর্বাদপুষ্ট ব্যক্তিত্বের আগমন ঘটে। শাহ ভালাই, শাহ আলাই ও এনায়েত উল্লাহর নাম উল্লেখযোগ্য। পুণ্য আত্না ইসলামের ঝান্ডাবাহক দরবেশ মেহের আলী শাহ-এর নামের সাথে সঙ্গতি রেখে মেহেরপুর নামকরণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

যতদূর জানা যায় তাতে মেহের আলী অত্যন্ত প্রভাবশালী খ্যাতিমান আধ্যাত্নিক ব্যক্তি হিসাবে সুপরিচিত ছিলেন। যার ফলে তাঁর নামের প্রাধান্য পেয়ে যায়।

মেহেরপুর নামকরণের উৎপত্তি সম্পর্কে দ্বিতীয় দিকটি এখানে উল্লেখ্য, পূর্ববঙ্গ রেলওয়ের বাংলায় ভ্রমণ গ্রন্থে বিখ্যাত বচনকার মিহির ও তাঁর নিজের পুত্রবধু খনা (খনার বচন বিখ্যাত) ভৈরব নদীর তীরস্থ এ অঞ্চলে বাস করতেন। তার নামানুসারে প্রথমে মিহিরপুর এবং পরবর্তীতে অপভ্রংশে মেহেরপুর নামকরণ হয়েছে বলে অনুমান করা হয়।


স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র

প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ ঘোষণা প্রবাসী মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তবর্তীকালীন সংবিধান হিসাবে কার্যকর হয়। এমনকি ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন সংবিধান প্রণীত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এ ঘোষণা দেশের সংবিধান হিসাবে কার্যকর থাকে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্থান সামরিক বাহিনী কর্তৃক ঢাকা ও তৎকালীন পূর্ব পাকিস্থানের অন্যান্য অংশে জনগণের উপর আক্রমণ চালানার প্রাক্কলে উর্ধ্বতন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, গণপরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যগণ নিরাপত্তার জন্য সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে আশ্রয় নেন। ৩০ মার্চের মধ্যেই তাদের অনেককে কলকাতায় সমবেত হন। গণপরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের যে সকল সদস্য ১০ এপ্রিলের মধ্যে কলকাতায় মিলিত হন তারা একটি প্রবাসী আইন পরিষদ গঠন করে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের খসড়া প্রণয়ন করেন। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে গণপরিষদ সদস্য এম ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। এ ঘোষণার মাধমে নবগঠিত আইন পরিষদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করে। এ ঘোষণাবলে প্রবাসী মুজিবনগর সরকার বৈধ বলে বিবেচিত হয় এবং এ ঘোষণায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকলের মধ্যে চেইন অব কমান্ড স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

 


জেলা ঘোষণার তারিখ

১৯৮৪ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী মেহেরপুর পূর্ণাঙ্গ জেলার মর্যাদা লাভ করেন২০০০ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী মেহেরপুর সদর উপজেলা বিভক্ত হয়ে মুজিবনগর উপজেলার সৃষ্টি হয়বর্তমানে মেহেরপুর জেলায় তিনটি উপজেলা রয়েছে





অবস্থান

মেহেরপুর জেলা ২৩.৪৪/ থেকে ২৩.৫৯/ ডিগ্রী অক্ষাংশ এবং ৮৮.৩৪/ থেকে ৮৮.৫৩/ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত এটি বাংলাদেশের পশ্চিমাংশের সীমান্তবর্তী জেলা। এ জেলার উত্তরে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানা ও পশ্চিমবঙ্গ (ভারত); দক্ষিণে চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবনগর, দামুড়হুদা থানা ও পশ্চিসমবঙ্গ (ভারত); পূর্বে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর, চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা, পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ মেহেরপুরের পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত প্রায় ৬০ কিলোমিটার ভারতীয় সীমান্ত রয়েছে


আয়তন ও গঠন

আয়তন ৭১৬ বর্গ কিলোমিটারএটি ০৩টি উপজেলা, ০৩টি থানা, ০২টি পৌরসভা (১টি ক শ্রেণীর, টি খ শ্রেণীর), ১৮টি ইউনিয়ন, ১৯৯টি মৌজা, ২৫৯টি গ্রাম নিয়ে গঠিতউপজেলাসমূহের নাম- মেহেরপুর সদর, মুজিবনগর ও গাংনী উপজেলা


জনসংখ্যা

মোট জনসংখ্যা ৫,৯১,৪৩৬ জন (২০০১ সনের আদমশুমারী অনুযায়ী), পুরুষ ৩,০৩,১৬৬ জন, মহিলা ২,৮৮,২৭০ জন, মোট খানার সংখ্যা ১,৩৭,৯০১ টি। মুসলিম ৯৭.৫৫%, হিন্দু ১.১৫%, খ্রিস্টান ০.০০৪%, বৌদ্ধ ১.২৫% অন্যান্য ০.০৪৭%। বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৮৬% (২০০১ সনের আদমশুমারী অনুযায়ী)। এ জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতিবর্গ কিলোমিটারে ৮২১ জন বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদের আদলে এখানকার বসতিগুলো গড়ে উঠেছে ভৈরব, কাজলা, ছেউটি, মাথাভাঙ্গা প্রভৃতি নদীর উভয় তীরে অপেক্ষাকৃত উচূঁ জায়গায় এবং আধুনিককালে সড়কপথের দুধারে এ ছাড়া বিল বা হাওড় অঞ্চলে পুঞ্জিভূত বা গুচ্ছ বসতিও দেখা যায় আবাসন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে শহর ও ব্যবসা কেন্দ্রগুলোতে ৭০% এবং গ্রামীণ জনপদে ৩০% পাকা ও সেমিপাকা আবাসন লক্ষ্য করা যায়


প্রাকৃতিক সম্পদ

নদ-নদীর সংখ্যা ০৪টি, আয়তন ১১৪৪৫.২০ হেক্টর। নদীর নাম- ভৈরব, কাজলা, ছেউটিয়া, মাথাভাঙ্গা ইত্যাদি। বিল ও প্রধান প্লাবনভূমির সংখ্যা ১১৪০টি, আয়তন ৩০৭৬২.০০ হেক্টর। বনভূমি ৩৮৮৬০.৭৩ একর। বালু মহল ১৫টি, আয়তন ৮৭৪.৫০ একর। সাদামাটি মহল ১টি, আয়তন ২৪.৩৩ একর ইত্যাদি।


শিক্ষার হার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

দরিদ্র অধ্যুষিত পশ্চাদপদ মেহেরপুর জেলায় শিক্ষার হার কম উপজেলাভিত্তিক শিক্ষার হার মেহেপুর সদর -৩৮.৪%; গাংনী-৩৬.৫%; মুজিবনগর-৪০.২%; গড়-৩৭.৪% শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও অপ্রতুল প্রাথমিক বিদ্যালয় (সরকারি, বেসরকারি ও কমিউনিটি) ১৬২+১১১+৭=২৮০টি; নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়- ৩৬টি ; মাধ্যমিক বিদ্যালয় (সরকারি ও বেসরকারি)- ২+৭ =৫১টি; কলেজ (সরকারি ও বেসরকারি)-২+ =০৬টি; টেকনিক্যাল কলেজ (সরকারী ও বেসরকারী)-১+৬=০৭টি এবং মাদরাসা-২টি ৬ লক্ষ জনসংখ্যার বিপরীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক কম তবে এর চেয়েও বড় কথা মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা একেবারেই কম


শিল্প ও কল কারখানা

বৃহৎ শিল্প এ জেলায় নাই। মাঝারী ও ক্ষুদ্র শিল্প ও কল-কারখানা প্রায় ১০ টি হবে। এ জেলায় দুইটি কোল্ড স্টোরসহ একটি হাইটেক কোম্পানী আছে।


কৃষি

মোট জমি ৬০,১৮৩ হেক্টর, নীট ফসলী জমি ৬০,০২৪ হেক্টরএক ফসলী জমি ৩,১৫৩ হেক্টর, দুই ফসলী জমি ৩০,৯১৩ হেক্টর, তিন ফসলী জমি ২৫,৮৩৮ হেক্টর, তিনের অধিক ৩২০ হেক্টরমোট ফসলী জমি ১,৪৩,১৭২ হেক্টর, ফসলের নিবিড়তা ২৩৮.৫২% কৃষি ব্লকের সংখ্যা ৫৬টি, কৃষি বিষয়ক পরামর্শ কেন্দ্র ৫৬টি, সয়েল মিনিল্যাব ১৪টি, বিএডিসি বীজ ডিলার ২৩ জন, বিসিআইসি সার ডিলার ৩০ জন, কোল্ড ষ্টোর ০৩টি। নাসারী সংখ্যা সরকারী ০২ টি বেসরকারী ২২০টি।


সেচ সুবিধা

সেচাধীন জমি ৫৯,৮৫৯ হেক্টরগভীর নলকুপ মোট ৯৩টি (বিদ্যুৎ চালিত ৯১টি, ডিজেল চালিত ০২টি), অগভীর নলকুপ মোট ৩০,০২২টি (বিদ্যুৎ চালিত ১,৭১৫টি, ডিজেল চালিত ২৮,৩০৭টি), পাওয়ার পাম্প মোট ১০টি (বিদ্যুৎ চালিত ০৪টি, ডিজেল চালিত ০৬টি)


খাদ্যশস্য পরিস্থিতি

খাদ্যশস্যের বাৎসরিক চাহিদা ১,৪৪,৩৫০ মেট্রিক টন, উৎপাদন ২,২৫,৭৮৩ মেট্রিক টন (দানাদার), উদ্বৃত্ত ৮১,৪৮৩ মেট্রিক টনপ্রধানতঃ ধান, পাট, গম, আলু, কচু, মসুর, ভুট্টা, সরিষা, পান, কলা, আনারস, কাঁঠাল ও শীতকালীন শাকসব্জী উৎপন্ন হয়


প্রাণিসম্পদ দপ্তর

জেলা পশু হাসপাতাল ০১টি, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ০৩টি, পশু চিকিৎসালয় ০১টি, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র নাই, কৃত্রিম প্রজনন উপকেন্দ্র ০৩টি, কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্ট ১২টি। গবাদি পশুর খামার ১৬৫৬টি, ছাগলের খামার ১৩২টি, ভেড়ার খামার ১৬৯টি, মুরগী খামার ৪৮৭টি (লেয়ার ১০৬টি, ব্রয়লার ৩৮১টি) গরু ১১,৪৭,৭৮৯টি, মহিষ ২০,৭৮৩টি, ছাগল ২২,৬,২৯৮টি, ভেড়া ১০,৮৮০টি, ঘোড়া ৭৯০টি। পশু সম্পদ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট এনজিও- ওয়ার্ল্ড ভিশন, সোসিও ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন



স্বাস্থ্যকেন্দ্র

বক্ষব্যাধি ক্লিনিক ১টি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১১টি (৬টি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট, ৫টি ৩১ শয্যাবিশিষ্ট), পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ১২টি, স্বাস্থ্য উপকেন্দ্র ৪৩টি, কমিউনিটি ক্লিনিক ৪১২টি (বর্তমানে চালু ৩৫৪টি), বিদ্যালয় স্বাস্থ্য কেন্দ্র ১টি, হোমিও হাসপাতাল ১টি, বেসরকারী ক্লিনিক ৭২টি, মিশনারি হাসপাতাল ১টি সরকারী অ্যাম্বুলেন্স ১৬টি (চালু ৯টি)স্বাস্থ্য কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট এনজিও ১৬টি


যোগাযোগ ব্যবস্থা

উন্নত পাকা সড়ক প্রায় ১৪২.২৫ কিলোমিটার, কাঁচা সড়ক ৭৮৫৮ কিলোমিটার, রেলপথ ১৫৯ কিলোমিটার ও নদী পথ ২২৩ কিলোমিটারঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী জেলা শহর চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও ফরিদপুর সাথে পাকা সড়ক যোগাযোগ রয়েছেরাজধানী ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ জেলার দূরত্ব সড়ক পথে ৩৫০ কিমিজেলা সদর থেকে পাকা সড়ক পথে উপজেলার এবং ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় সারাবছরই মোটরযান চলাচলের উপযোগী পাকা/কাঁচা রাস্তা রয়েছে তবে জেলায় প্রবাহিত নদীসমূহের তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় নদীগুলো নাব্যতা হারিয়েছে


পোষ্টাল সুবিধা

ডাকঘর ৩৫টি, পোষ্টাল কোড- মেহেরপুর সদ-৭১০০, গাংনী-৭১১০, আমঝুপী-৭১০১, মুজিবনগর-৭১০২।


টেলিযোগাযোগ

ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ০৩ টি, টেলিফোন কোড- মেহেরপুর সদর ০৭৯১, মুজিবনগর ০৭৯২৩, গাংনী ০৭৯২২।


ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান

মসজিদ ৯৩০টি, মাজার ১১টি, মন্দির ৬৫টি, গীর্জা ২৫টি


সরকারী/ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান

উপজেলা ভূমি অফিস ০৩টি, পৌর/ইউনিয়ন ভূমি অফিস ১৮টি, সিডিউল বাণিজ্যিক ব্যাংক ৮০টি, ডাকবাংলো/রেষ্ট হাউজ ১৯টি, ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন ০২টি, খাদ্য গুদাম ১৮টি, হাট-বাজার ৫৭১টি, যাদুঘর ২টি, সিনেমা হল ০৩টি, পার্ক ৩টি, স্টেডিয়াম ৩টি, খেলার মাঠ ১১৮টি


নির্বাচন সংক্রান্ত

নির্বাচনী এলাকা ৭৩, মেহেরপুর-১, ৭৪, মেহেরপুর-২, ভোটার সংখ্যা পুরুষ ১,৯৫,৮৮৯ জন, মহিলা ২,১১,৬৩৬ জন, মোট ৪,০৭,৫২৫ জন




Information Source



Bangladeshi Stamps
Copyright © 2005-2009 Amardesh Online