|
| ৬ এপ্রিল: মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে-- চট্টগ্রামের দোহাজারীতে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাদের প্রচণ্ড সংঘর্ষ হয়। মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমণে টিকতে না পেরে পাকিস্তানি সেনারা পিছু হটে।
- সিলেটের করিমগঞ্জ সীমান্তে মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানি সেনাদের মধ্যে প্রচণ্ড লড়াই শেষে পাকিস্তানি সেনারা পশ্চাদপসরণ করে বলে ঢাকায় সামরিক কর্তৃপক্ষ পরোক্ষভাবে স্বীকার করে।
- পাকিস্তানি সেনারা অতর্কিতে চাঁদপুর পুরান বাজারে বিমান থেকে বোমাবর্ষণ করে। এটাই ছিল চাঁদপুরে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রথম বিমান আক্রমণ।
- গোলাম আযম, হামিদুল হক চৌধুরীসহ একটি দল পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক আইন প্রশাসক 'বেলুচিস্তানের কসাই' নামে খ্যাত টিক্কা খানের সঙ্গে দেখা করে।
- পাকিস্তানি সেনারা সৈয়দপুর সেনানিবাস থেকে দিনাজপুরের দিকে অগ্রসর হলে একসময় মুক্তিযোদ্ধাদের রাইফেলের আয়ত্তের মধ্যে চলে আসে এবং তুমুল গুলিবিনিময় হয়। দু-তিন ঘণ্টা স্থায়ী এ যুদ্ধে পাকিস্তানি সেনারা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়ে সেনানিবাসে ফিরে যায়।
- সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট পদগর্নি রক্তক্ষয় বন্ধের আহ্বান জানিয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টকে চিঠি দিলে জবাবে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া বলেন, 'পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে কাউকে হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া হবে না।'
|