২০ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে- বিশেষ দিবস- বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস ৷
- বিশ্ব অস্টিওপরোসিস দিবস ৷
- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস (বাংলাদেশ)।
ঘটনাবলী- ৪৮০ সালে এথেন্স পোতাশ্রয়ের নিকটবর্তী সাগরে মালমিসের যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৮১৮ ব্রিটেন ও আমেরিকার মধ্যে সম্পাদিত এক চুক্তি বলে ৪৯ ডিগ্রি অক্ষরেখাকে আমেরিকা ও কানাডার সীমানা হিসাবে নির্ধারণ করা হয়।
- ১৮২৭ সালে ভূমধ্যসাগরের উত্তরাঞ্চলীয় নভারুন নামক উপসাগরে সমুদ্রযুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ১৮৫৪ সালে অবিভক্ত বাংলায় প্রথম ডাকটিকিট বিক্রি শুরু হয়। ডাকটিকিটের চিত্রশিল্পী ছিলেন নুমারউদ্দীন।
- ১৯২২ সালে ইতালিতে বেনিতো মুসোলিনি ক্ষমতা দখল করেন।
- ১৯৪৪ সালে গুয়াতেমালায় গণ-অভ্যুত্থানে প্রতিক্রিয়াশীল একনায়কতন্ত্রের অবসান ঘটে।
- ১৯৪৪ সালে সোভিয়েট ইউনিয়নের বাহিনীর সাহায্যে যুগোশ্লাভিয়ার বাহিনী বেলগ্রেড মুক্ত করে।
- ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ শেষের পর মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে বার বার অভ্যন্তরীন সংঘর্ষ ঘটে । পুণ্যভূমির জন্যে সংগ্রাম চালানোর সঙ্গে সঙ্গে আরব দেশগুলো একীকরণ করতে চায় । মিশর, সিরিয়া, ইরাক, লেবানন নিয়ে আরব লীগ গঠন করা হয় ।
- ১৯৬২ সালে নতুন করে ভারত-চীন সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
- ১৯৬৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিউবায় পণ্য রপ্তানি নিষিদ্ধ করে।
- ১৯৬৪ সালে আফগানিস্তানের পার্লামেন্ট নতুন সংবিধান অনুমোদন করে।
- ১৯৬৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩১তম রাষ্ট্রপতি হার্বার্ট হুভার মারা যান।
- ১৯৭০ সালে সোভিয়েত রকেট লুনা-১৬ চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করে।
- ১৯৭১ সালে ভারত-যুগোস্লাভিয়ার যুক্ত ইশতেহারে রাজনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেওয়া হয়। প্রেসিডেন্ট টিটো উপমহাদেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য শেখ মুজিবের মুক্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
- ১৯৯১ সালে ভয়াবহ ভূমিকম্পে ভারতের উত্তর প্রদেশের তিনটি জেলায় সহস্রাধিক লোকের প্রাণহানি ঘটে।
- ১৯৯২ সালে আহসান মঞ্জিল জাদুঘর উদ্বোধন করা হয়।
- ১৯৯৬ সালে অন্ধ প্রদেশে বন্যায় ৩০০ গ্রাম ডুবে যায় ও ২০০ জন মারা যায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫ পাশ করার মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পুর্নাজ্ঞ বিশ্ববিদ্যালয়ে রুপ নেয়। প্রতি বছর এই দিনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস পালন করে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
জন্ম- ১৬২০ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন আয়েল্বেরট কুয়প, তিনি ছিলেন ডাচ চিত্রশিল্পী।
- ১৭৮৬ সালে উইলিয়াম কেরির পুত্র ও বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানবিষয়ক রচনার পথিকৃৎ এবং এনসাইকোপিডিয়া ব্রিটানিকার পঞ্চম সংস্করণের বঙ্গানুবাদক ফেলিক্স কেরি জন্মগ্রহন করেন।
- ১৮২২ সালে লেখক টমাস হিউজ জন্মগ্রহন করেন।
- ১৮৫৯ সালে দার্শনিক ও শিক্ষাতাত্ত্বিক জন ডিউয়ি জন্মগ্রহন করেন।
- ১৮৭১ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন অতুলপ্রসাদ সেন, তিনি ছিলেন বাঙালি কবি, গীতিকার ও গায়ক ছিলেন।
- ১৮৮২ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন বেলা লুগসি, তিনি ছিলেন রোমানীয় আমেরিকান অভিনেতা।
- ১৮৮৭ সালে বিশিষ্ট সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও মার্কিন কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম নেতা প্রতিষ্ঠাতা জন রিড জন্মগ্রহন করেন।
- ১৮৯১ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন জেমস চ্যাডউইক, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ পদার্থবিদ।
- ১৯০৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন টমি ডগলাস, তিনি ছিলেন স্কটস বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান মন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ।
- ১৯০৭ সালে ইংরেজ লেখক ও সমালোচক ক্রিস্টোফার কডওয়েল জন্মগ্রহন করেন।
- ১৯১৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন স্টেফানে হেসেল, তিনি ছিলেন জার্মান বংশোদ্ভূত ফরাসি কূটনীতিক ও সমাজ কর্মী।
- ১৯৩৯ সালে কবি ওমর আলী জন্মগ্রহন করেন।
- ১৯৪২ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন খ্রিস্টিয়ানে নুসস্লেইন-ভলহারড, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান জীববিজ্ঞানী।
- ১৯৪৬ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন এলফ্রিইয়ে জেলিনেক, তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান লেখক ও নাট্যকার।
- ১৯৬৭ সালে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক ও ঔপন্যাসিক মনিকা আলী জন্মগ্রহন করেন।
- ১৯৭৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন বীরেন্দ্র শেবাগ, তিনি ভারতীয় ক্রিকেটার।
- ১৯৮০ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন নিয়াল ম্যাটার, তিনি কানাডিয়ান অভিনেতা।
- ১৯৮৫ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন জেনিফার ফ্রিম্যান, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী।
মৃত্যু- ৯০৯ সালে ইসলামি ফেকাহ শাস্ত্রবিদ মোহাম্মদ ইবনে দাউদ জাহেরি মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৮৫৪ সালে ফরাসি কবি জ্যাঁ আর্তুর র্যাবো মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৮৯০ সালে পর্যটক ও লেখক স্যার রিচার্ড বার্টন মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯০০ সালে মৃত্যুবরণ করেন নাঈম ফ্রাশেরি, তিনি ছিলেন আলবেনিয়ান কবি ও অনুবাদক।
- ১৯৩৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন আর্থার হেন্ডারসন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী স্কটিশ বংশোদ্ভূত ইংরেজ রাজনীতিবিদ।
- ১৯৬৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন হার্বার্ট হুভার, তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩১তম রাষ্ট্রপতি।
- ১৯৮৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন কার্ল ফের্ডিনান্ড কোরি, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী চেক বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রাণরসায়নী।
- ১৯৮৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন পল ডিরাক, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ বংশোদ্ভূত আমেরিকান পদার্থবিদ।
- ১৯৮৬ সালে ছান্দসিক ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ প্রবোধচন্দ্র সেন মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৮৭ সালে লোকগীতি সংগ্রাহক ও সম্পাদক মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন ইন্তেকাল করেন।
- ১৯৯২ সালে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক কাজী জহির মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৯৪ সালে কমিউনিস্ট নেতা বারীন দত্ত মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৯৫ সালে শিল্পপতি জহুরুল ইসলাম মৃত্যুবরণ করেন।
- ২০০৩ সালে বসনিয়ার বিশিষ্ট লেখক ও রাজনীতিবিদ আলী ইজ্জাত বেগুভিচ পরলোকগমন করেন।
- ২০০৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন কেনেথ আইভার্সন, তিনি ছিলেন টুরিং পুরস্কার বিজয়ী একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
- ২০০৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন রুডি রে মুর, তিনি ছিলেন আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক ও প্রযোজক।
- ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন অলি আহাদ, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের ভাষা সৈনিক।
- ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন এডওয়ার্ড ডোনাল থমাস, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান চিকিৎসক ও শিক্ষক।
- ২০১৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন লরেন্স ক্লেইন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আমেরিকান অর্থনীতিবিদ ও অধ্যাপক।
- ২০১৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন নেল হ্যারিসন, তিনি ছিলেন ইংরেজ গায়ক, অভিনেতা ও স্কিচালক।
- ২০১৪ সালে বাংলাদেশের ইতিহাসবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক সালাহ্উদ্দীন আহমদ মৃত্যুবরণ করেন।
২০ অক্টোবর: মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে-- নয়াদিলি্লতে যুগোস্লাভ প্রেসিডেন্ট মার্শাল টিটো ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মধ্যে আলোচনা শেষে এক যুক্ত ইশতেহার প্রকাশিত হয়। এই ইশতেহারে পাকিস্তানের বর্তমান সংকট অবসানের লক্ষ্যে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে রাজনৈতিক মীমাংসার আহ্বান জানানো হয়।
- কুমিল্লায় পাকিস্তানি বাহিনীর একটি শক্তিশালী দল গোলন্দাজ বাহিনীর সহায়তায় কামালপুরের কাছে মুক্তিবাহিনীর অবস্থানের ওপর তীব্র হামলা চালায়। এ হামলায় পাকিস্তানি সেনারা মুক্তিবাহিনীর শক্তিশালী প্রতিরক্ষাবূ্যহ ভেদ করতে ব্যর্থ হয়। সংঘর্ষে পাকিস্তানি বাহিনীর একজন কর্মকর্তাসহ ৩০ জন সেনা নিহত হয়।
- ৬ নম্বর সেক্টরের হিলি সীমান্তে মুক্তিবাহিনী ও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষ দিনব্যাপী চলে।
- ২ নম্বর সেক্টরে মুক্তিবাহিনী মিয়াবাজার পাকিস্তানি সেনাঘাঁটি আক্রমণ করে। মুক্তিযোদ্ধাদের অকস্মাৎ আক্রমণে পাকিস্তানি সেনারা বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। দুই ঘণ্টাব্যাপী এ যুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর ২১ জন সেনা নিহত এবং অনেক আহত হয়।
- বগুড়া জেলার টিউরপাড়া গ্রামে মুক্তিবাহিনীর গেরিলা দল ও পাকিস্তানি সেনাদের মধ্যে তীব্র গোলাবিনিময় হয়। এতে পাকিস্তানি বাহিনীর একজন ক্যাপ্টেনসহ সেনা নিহত এবং অনেক আহত হয়।
- জাতিসংঘের মহাসচিব উ থান্ট তাঁর সদর দপ্তরে ভারতের রাষ্ট্রদূত সমর সেন ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আগা শাহীর সঙ্গে পৃথক বৈঠকে মিলিত হন। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়।
|