|
| ১৭ জুলাই: ইতিহাসের এই দিনে- বিশেষ দিবস- আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস।
ঘটনাবলী- ১০৫৪ সালে সম্রাট তৃতীয় হেনরির পুত্র চতুর্থ হেনরির অভিষেক হয়।
- ১৪২৯ সালে দাউফিন ফ্রান্সের সম্রাট হিসেবে অভিষিক্ত হন।
- ১৭১২ সালে ইংল্যান্ড, পর্তুগাল ও ফ্রান্স যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে।
- ১৭৬২ সালে দ্বিতীয় ক্যাথেরিন রাশিয়ার জার মনোনীত হন।
- ১৭৯০ সালে টমাস সেইন্ট প্রথম সেলাই কলের পেটেন্ট করেন।
- ১৮২১ সালে স্পেন আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্লোরিডাকে আমেরিকার কাছে হস্তান্তর করে।
- ১৮২৩ সালে গবর্নর জেনারেল জন এ্যাডামের প্রস্তাব অনুসারে কলকাতায় সাধারণ শিক্ষা সমিতি গঠিত হয়।
- ১৮৫৫ সালে পাঠশালার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের তত্ত্বাবধানে নর্মাল স্কুল স্থাপিত হয়।
- ১৮৬১ সালে কংগ্রেস কাগজের নোট অনুমোদন করে।
- ১৯০০ সালে ব্রিটিশ ম্যাগাজিন পাঞ্চ প্রকাশিত হয়।
- ১৯২৮ সালে মেক্সিকার রাষ্ট্রপতি পেনারে আলভারো ওবরেগন আততায়ীর গুলিতে নিহত হন।
- ১৯৩৩ সালে স্তালিনগ্রাদের যুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৪৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রেট ব্রিটেনের রাষ্ট্রপ্রধানরা পটসডাম সম্মেলনে যোগ দেন।
- ১৯৫৫ সালে ক্যালফোর্নিয়ায় ডিজনিল্যান্ড উদ্বোধন হয়।
- ১৯৬৩ সালে স্পেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়।
- ১৯৬৮ সালে একটি বিপ্লবের মাধ্যমে বাথ পার্টি ইরাকি রাষ্ট্রপতি আব্দুর রহমান আরিফকে উৎখাত করেন, এবং আহমেদ হাসান আল-বকর রাষ্ট্রপতি হন।
- ১৯৭৩ সালে আফগানিস্তানের শেষ বাদশাহ জহির শাহের পতনের মধ্য দিয়ে দেশটিতে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে।
- ১৯৭৬ সালে পূর্ব তিমুর ইন্দোনেশিয়ার ২৭ তম প্রদেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের কর্ণফুলীর মোহনায় জেটি চালু হয়।
জন্ম- ১৪৮৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন প্রথম ইসমাইল, তিনি ছিলেন ইরানের শিয়া ধর্মীয় নেতা।
- ১৬৯৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন পিয়ের লুইস মাউপেরটুইস, তিনি ছিলেন ফরাসি গণিতবিদ ও দার্শনিক।
- ১৭১৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন আলেকজান্ডার গোটলিয়েব বাউমগারটেন, তিনি ছিলেন জার্মান দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।
- ১৭৪৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন এল্বরিডগে গেরি, তিনি ছিলেন আমেরিকান ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ ও ৫ম ভাইস প্রেসিডেন্ট।
- ১৭৯৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন হিপোলয়টে ডেলারচে, তিনি ছিলেন ফরাসি চিত্রশিল্পী।
- ১৮৮৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন সামুইয়েল ইয়সেফ আগনোন, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইউক্রেরিয়ান বংশোদ্ভূত ইসরাইলি লেখক।
- ১৯১৩ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন রুজে গারুদী, তিনি ছিলেন বিখ্যাত ফরাসী দার্শনিক।
- ১৯১৫ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন বিজন ভট্টাচার্য, তিনি ছিলেন একজন বাঙালি নাট্যমঞ্চের খ্যাতনামা ব্যক্তিত্ব ও সুঅভিনেতা।
- ১৯১৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন বিজন ভট্টাচার্য, তিনি ছিলেন একজন বাঙালি নাট্যব্যক্তিত্ব।
- ১৯১৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন কেনান ইভ্রেন, তিনি ছিলেন তুর্কি জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৭ম প্রেসিডেন্ট।
- ১৯২০ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন জোয়াও এন্টোনিও সামারাঞ্চ, তিনি ছিলেন স্প্যানিশ ব্যবসায়ী ও আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির ৭ম প্রেসিডেন্ট।
- ১৯৩৫ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ডোনাল্ড সদারল্যান্ড, তিনি কানাডিয়ান অভিনেতা।
- ১৯৪৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন কার্লোস আলবের্তো, তিনি সাবেক ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ও ম্যানেজার।
- ১৯৫২ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ডেভিড হাসেলহফ্, তিনি আমেরিকান অভিনেতা, গায়ক ও প্রযোজক।
- ১৯৫৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন আঙ্গেলা ডোরোটেয়া মের্কেল, তিনি জার্মান রাজনীতিবিদ, জার্মানি ৮ম চ্যান্সেলর।
- ১৯৫৬ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন জুলি ইসাবেল বিশপ, তিনি অস্ট্রেলীয় আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ৩৮ তম প্রধানমন্ত্রী।
- ১৯৫৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ওং কার-ওয়াই, তিনি চীনা পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।
- ১৯৫৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন মানযিলা পলা উদ্দিন, বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ইংরেজ রাজনীতিবিদ।
- ১৯৬০ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন রবিন শউ, তিনি হংকং অভিনেতা ও মার্শাল আর্টিস্ট।
- ১৯৬৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন এফ গ্যারি গ্রে, তিনি আমেরিকান অভিনেতা ও পরিচালক।
- ১৯৭২ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন জাপ স্টাম, তিনি ডাচ ফুটবলার ও ম্যানেজার।
- ১৯৭৫সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন আন্দ্রে এডামস, তিনি নিউ জিল্যান্ডের ক্রিকেটার।
- ১৯৭৫ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন টেরেন্স টাও, তিনি অস্ট্রেলীয় আমেরিকান গণিতবিদ ও শিক্ষাবিদ।
- ১৯৮৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন জেরেমিহ, আমেরিকান গায়ক, গীতিকার ও প্রযোজক।
মৃত্যু- ০৯২৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন এডওয়ার্ড এল্ডার, তিনি ছিলে ইংরেজ রাজা।
- ১৭৯০ সালে মৃত্যুবরণ করেন অ্যাডাম স্মিথ, তিনি ছিলেন স্কটিশ দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ।
- ১৮৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন লেকন্টে ডি লিসলে, তিনি ছিলেন ফরাসি কবি।
- ১৯১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন অঁরি পোয়াঁকারে, তিনি ছিলেন ফরাসি গণিতবিদ, তাত্ত্বিক পদার্থবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯২৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন গিওভানি গিওলিটি, তিনি ছিলেন ইতালীয় রাজনীতিক ও ১৩ তম প্রধানমন্ত্রী।
- ১৯২৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন আলভারো অবরেগন, তিনি ছিলেন মেক্সিক্যান জেনারেল, রাজনীতিবিদ ও ৩৯ তম প্রেসিডেন্ট।
- ১৯৩১ সালে মৃত্যুবরণ করেন সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী, তিনি ছিলেন আধুনিক বাংলা গদ্য সাহিত্যের প্রথম দিকের মুসলমান সাহিত্যিকদের মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৪৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন উইলিয়াম জেমস সিডিস, তিনি ছিলেন আমেরিকান গণিতবিদ ও নৃবিজ্ঞানী।
- ১৯৯২ সালে মৃত্যুবরণ করেন কানন বালা দেবী, তিনি ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্রাভিনেত্রী ও গায়িকা।
- ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন জাঁ বরোটরা, তিনি ছিলেন ফরাসি টেনিস খেলোয়াড়।
- ২০০৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন এডওয়ার্ড হিথ, তিনি ছিলেন ইংরেজ কর্নেল, রাজনীতিবিদ ও প্রধানমন্ত্রী।
- ২০০৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন ওয়াল্টার ক্রোকিটে, তিনি ছিলেন আমেরিকান সাংবাদিক ও অভিনেতা।
- ২০১৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন জুলস বিয়াঞ্চি, তিনি ছিলেন ফরাসি রেস্ গাড়ী চালক।
১৭ জুলাই: মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে-- শালদা নদী রেলওয়ে স্টেশনের এক হাজার গজ দক্ষিণে মনোরা রেলওয়ে ব্রিজ পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনীর সৈন্যরা অগ্রসর হয়ে ব্রিজের চতুর্দিকে বাংকার তৈরির প্রস্তুতি নেয়। এ সময় চতুর্থ বেঙ্গলের 'এ' কম্পানির একটি প্লাটুন মর্টারসহ পাকিস্তানি সেনাদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়। এ আক্রমণে পাকিস্তানি সেনারা সম্পূর্ণভাবে ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে এবং অনেক পাকিস্তানি সৈন্য হতাহত হয়।
- কুমিল্লা-চাঁদপুর রাস্তায় আশীকাটি গ্রামের কাছে মুক্তিবাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা পাকিস্তানি বাহিনীর একটি কনভয়ের ওপর গ্রেনেড আক্রমণ চালায়। এ আক্রমণে আট পাকিস্তানি সেনা নিহত ও অনেক আহত হয়।
- লে. হুমায়ুন কবিরের এক প্লাটুন যোদ্ধা একদল পাকিস্তানি সেনাকে লাটুমুড়া থেকে চন্দ্রপুর যাওয়ার পথে অ্যাম্বুশ করে। এই অ্যাম্বুশে পাকিস্তানি বাহিনীর চারজন নিহত ও একজন আহত হয় এবং বাকি সৈন্য প্রাণ বাঁচাতে লাটুমুড়ার দিকে পালিয়ে যায়।
- রামগঞ্জের উত্তরে নরিমপুর থেকে এক কম্পানি পাকিস্তানি রেঞ্জার্স ও রাজাকার দল মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের দিকে অগ্রসর হলে হাবিলদার জাকির হোসেনের নেতৃত্বে এক প্লাটুন যোদ্ধা তাঁদের ওপর আক্রমণ চালায়। কিছুক্ষণ যুদ্ধের পর পাকিস্তানি সেনারা দুজন রাজাকারের লাশ ফেলে পালিয়ে যায়।
- রাজশাহী জেলার শাহপাড়ে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি বাহিনীর একটি টহল দলের ওপর আক্রমণ চালায়। এ আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর ২২ সৈন্য নিহত হয়।
- পাকিস্তানের ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনালের এ এম কে নিয়াজি টাঙ্গাইল, শেরপুর ও হালুয়াঘাটের সেনাবাহিনীর ঘাঁটিগুলো পরিদর্শন করেন। শেরপুর ও হালুয়াঘাটে নিয়াজি রাজাকারের সশস্ত্র ট্রেনিং দেখেন এবং তাদের সেনাবাহিনীর পাশে থেকে কাজ করার নির্দেশ দেন।
- মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনৈতিক ও সামরিক সাহায্য বন্ধের সুপারিশ গৃহীত হয়।
|