|
প্রশাসনিক কাঠামোর দিক থেকে যশোর বাংলাদেশের ১৩তম বৃহত্তম জেলা। খুলনা বিভাগের অধীন ৮টি উপজেলা নিয়ে এ জেলা গঠিত। জেলার মোট আয়তন ২৫৯৪.৯৫ বর্গমাইল এর মধ্যে ৬০ বর্গমাইল নদী এলাকা। ২০০১ সালের আদম শুমারী অনুযায়ী যশোর জেলার মোট লোকসংখ্যা ২৪,৬৯,৬৯৩ জন। রাজধানী ঢাকা থেকে সড়ক পথে এ জেলার দূরত্ব প্রায় ২৭০ কিলোমিটার।
একনজরে যশোর জেলাঃ
সাধারণ তথ্যাবলীঃ
|
জনসংখ্যা (২০০১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)
|
|
পুরুষ-১২,৮২,৪৮০ জন
|
|
|
|
মহিলা-১১,৮৭,২০০ জন
|
|
|
|
মোট-২৪,৬৯,৬৮০ জন
|
|
ভোটার সংখ্যা
|
|
পুরুষ-৮,৬৪,৪৪৬
|
|
|
|
মহিলা-৮,৭১,৭২৩
|
|
|
|
মোট-১৭,৩৬,২৬৯
|
|
নির্বাচনী এলাকা
|
|
৬টি
|
|
|
|
(১) ৮৫-যশোর-১ (শার্শা)
|
|
|
|
(২) ৮৬-যশোর-২(ঝিকরাগাছা ও চৌগাছা)
|
|
|
|
(৩) ৮৭-যশোর-৩ (যশোর সদর)
|
|
|
|
(৪) ৮৮-যশোর-৪ (বাঘারপাড়া ও সদরের ৫টি ইউনিয়ন)
|
|
|
|
(৫) ৮৯-যশোর-৫ (মনিরামপুর)
|
|
|
|
(৬) ৯০-যশোর-৬(অভয়নগর, কেশবপুর ও মনিরামপুরের ১টি ইউনিয়ন)
|
|
জনসংখ্যার ঘনত্ব
|
|
৯৪০ জন প্রতি বর্গ কিলোমিটার
|
|
আয়তন
|
|
৬৬৭৪ বর্গ কিলো মিটার
|
|
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার
|
|
১.৯%
|
|
শিক্ষার হার
|
|
৭০%
|
|
উপজেলা
|
|
৮ টি
|
|
পৌরসভা
|
|
৮ টি
|
|
ইউনিয়ন
|
|
৯১ টি
|
|
গ্রাম
|
|
১৪৭৭ টি
|
|
মৌজা
|
|
১৩২৩ টি
|
|
থানা
|
|
৯ টি
|
|
পুলিশ ফাড়িঁ
|
|
৩৫ টি
|
|
মোট সীমান্তের দৈর্ঘ্য
|
|
১৪২ কিলোমিটার
|
|
বিডিআর ক্যাম্প
|
|
১৮ টি
|
|
মসজিদ
|
|
২,৮৮৮ টি
|
|
মন্দির
|
|
৩৩৯ টি
|
|
গীর্জা
|
|
১৪ টি
|
|
সরকারী খাদ্য গুদাম
|
|
১০ টি
|
|
খাদ্য ধারণ ক্ষমতা
|
|
২০,০০০ মেঃ টন
|
মহাবিদ্যালয়ঃ ৫০ টি
মাদ্রাসাঃ ২৫৫ টি
কলেজিয়েট হাইস্কুলঃ ১৪ টি
কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রঃ ১ টি
টিচার্স ট্রেনিং কলেজঃ ১ টি
পিটিআইঃ ১ টি
স্বাস্থ্যঃ
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালঃ ১ টি
আধুনিক সদর হাসপাতালঃ ১ টি (২৫০ শয্যা বিশিষ্ট)
রোগীর চিকিৎসার হার-১২৫% (গড় প্রতিদিন)
মঞ্জুরীকৃত ডাক্তারের পদ-৭০, কর্মরত-৫৪ জন
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সঃ ৭ টি
টি বি ক্লিনিকঃ ১ টি
উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রঃ ২২ টি
বেসরকারী হাসাপাতাল (ক্লিনিক)ঃ ১৯৮ টি
পরিবার পরিকল্পনাঃ
মোট সক্ষম দম্পতিঃ ৫,৪৫,২২৫ জন
মোট খাদ্য চাহিদাঃ ৪,৩১,৭৯৫ মেঃ টন
উৎপাদনঃ ৭,৩৩,০১৬ মেঃ টন
উদ্বৃত্ত (ক্ষতিবাদে)ঃ ৩,০১,২২১ মেঃ টন
এলএসডি সংখ্যাঃ ১০ টি
গুদাম সংখ্যাঃ ৩৬ টি
মোট ধারণ ক্ষমতাঃ ১৯,১৮৬ মেঃ টন
কৃষিঃ
যশোরবাসীর প্রধান জীবিকা ও অর্থনীতির মূল ভিত্তিই হচ্ছে কৃষি। এ জেলার উৎপাদিত ফসলগুলোর মধ্যে ধান, ইক্ষু ও পাট প্রধান। শাকসবজি উৎপাদনের ক্ষেত্রে এ জেলা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এখানে উৎপাদিত সবজিগুলি মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো ফুলকপি, বাধাঁকপি, ওলকপি, মূলা, বেগুন, সীম, পেঁপে, পটল, টমেটো, লাউ, ওল, কচু, আলু, পিয়াজ, মরিচ, লালশাক, সবুজশাক, পালংশাক, মিষ্টিকুমড়া ইত্যাদি। কলা ও খেজুর গুড়ের জন্য এ অঞ্চল বিখ্যাত। এ জেলায় বাণিজ্যিক ভাবে ফুলের উৎপাদন শুরু হয়েছে এবং উৎপাদিত ফুল রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার ফুলের চাহিদা মিটিয়ে থাকে। যশোর জেলায় প্রায় সকল প্রকার মাছ পাওয়া যায়। তার মধ্যে রুই, কাতলা, মৃগেল, শিং, মাগুর, কই, পুটি, চিংড়ি ইত্যাদি। অন্যতম তাছাড়া যশোরের মৎস্য হ্যাচারীগুলো সমগ্র দেশের পোনামাছের চাহিদার এক তৃতীয়াংশ পূরণ করে থাকে।
কৃষি ও সেচঃ
মোট কৃষি জমির পরিমাণঃ ১,৯৮,৫৪৫ হেক্টর
শিল্প ঃ
যশোর জেলা বহুপূর্ব থেকেই কুটিরশিল্পে একটা বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ জেলার একসময়কার বিখ্যাত চিরুনী শিল্প এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। ধীরে ধীরে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে। এদের মধ্যে নওয়াপাড়া ভারী শিল্প কারাখানা যেমন-পাটকল ও সার কারখানা, সিমেন্ট ফ্যাক্টরী, বস্ত্রশিল্প, সিগারেট ফ্যাক্টরী, বিসিক শিল্প নগরী, কুটির শিল্প গুলোর মধ্যে তাঁত, খেজুরের গুড়, মৃত্তিকা, বাঁশ, বেত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে প্রতিষ্ঠিত জি, কিউ বলপেন ইন্ডাষ্ট্রিজ লিমিটেড এর কলমের সুনাম দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিদেশে পৌঁছেছে।
ক্ষুদ্র শিল্পঃ ২৪৮১ টি
ভারী শিল্পঃ ৯ টি
কুটির শিল্পঃ ৯৮০৮ টি
প্রধান প্রধান শিল্প কারখানাঃ সার, সিমেন্ট, পাট, বস্ত্র, চামড়া, ডিম উৎপাদন,
বিড়ি উৎপাদন, মৎস্য হ্যাচারী, বল সাবান, ডাল ও
ময়দা মিল।
Normal 0
রাজস্ব প্রশাসন (জুন/২০১০ মাস পর্যন্ত)
১। ভূমি অফিসের সংখ্যাঃ ০৮ টি
২। মোট ইউনিয়নের সংখ্যাঃ ৯১ টি
৩। মোট ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সংখ্যাঃ৭৫টি
৪। মোট মৌজার সংখ্যাঃ ১০৩৬ টি
৫। কৃষি খাস জমির পরিমাণঃ৩২২৮.২০ একর
৬। বন্দোবস্তকৃত কৃষি খাস জমির পরিমাণঃ ২৩১৫.৫২ একর
(১৯৯৭ সনের নীতিমালা জারীর পূর্বে)
৭। বন্দোবস্তকৃত কৃষি খাস জমির পরিমাণঃ ২০৩.৮৬ একর
(১৯৯৭ সনের নীতিমালা জারীর পরে)
৮। বর্তমানে বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি খাস জমির পরিমাণঃ ৫৫.২৮৫ একর
৯। দেওয়ানী মামলায় জড়িত কৃষি খাস জমির পরিমাণঃ ১০১.৫৩ একর
১০। অবৈধ দখলে থাকা কৃষি খাস জমির পরিমাণঃ ২৭৯.১৬ একর
১১। উপকৃত পরিবারের সংখ্যাঃ ২৬৫৪ টি
১২। মোট অকৃষি খাস জমির পরিমাণঃ 2182.11 একর
১৩। বন্দোবস্তযোগ্য অকৃষি খাস জমির পরিমাণঃ 36.27 একর
১৪। বন্দোবস্তকৃত অকৃষি খাস জমির পরিমাণঃ 9.68 একর
১৫। তালিকাভূক্ত অর্পিত জমির পরিমাণঃ ১২,১১৬.৬৪ একর
১৬। ইজারাকৃত অর্পিত সম্পত্তির পরিমাণঃ ২,২৮৭.৮৬ একর
১৭। প্রত্যর্পণযোগ্য অর্পিত সম্পত্তির পরিমাণঃ ৩,০৩২.৫৩২৫ একর
১৮। অ-ইজারাকৃত অর্পিত সম্পত্তির পরিমাণঃ ৯,৮২৮.৮৬ একর
১৯। অবমুক্তকৃত অর্পিত সম্পত্তির পরিমাণঃ ৪,৯৪০.৭০ একর
২০। অর্পিত সম্পত্তির বাড়ীর সংখ্যাঃ ৪৬ টি
২১। ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে দাবীর পরিমাণঃ ২২,৭৬,৪৮০/-
২২। ডিসেম্বর/২০০৯ মাস পর্যন্ত মোট আদায়ের পরিমাণঃ ৪,১৫,০৯১/-
২৩। ২০০৮-২০০৯ অর্থ বছরে দাবীর পরিমাণঃ ২৫,৪২,০৬৮/-
২৪। মোট পরিত্যক্ত জমির পরিমাণঃ ৩৬.৬১ একর
২৫। পরিত্যক্ত বাড়ীর সংখ্যাঃ ৮৮ টি
২৬। সংরক্ষিত বাড়ীর সংখ্যাঃ ১৩ টি
২৭। বিক্রিত বাড়ীর সংখ্যাঃ ২৭ টি
২২৮। অবমুক্তকৃত বাড়ীর সংখ্যাঃ ০1 টি
২৯। বিক্রয়যোগ্য পরিত্যক্ত বাড়ীর সংখ্যাঃ ৪7 টি
৩০। মোট হাট-বাজারের সংখ্যাঃ ২৩৯ টি
৩১। মোট জলমহালের সংখ্যাঃ ৩২৮ টি
ক) ২০ একরের উর্দ্ধে বদ্ধ জলমহালের সংখ্যাঃ ৫৫ টি
খ) ২০ একরের উর্দ্ধে উন্মুক্ত জলমহালের সংখ্যাঃ 71 টি
গ) ২০ একরের নিম্নে বদ্ধ জলমহালের সংখ্যাঃ ৬৬ টি
ঘ) ২০ একরের নিম্নে উন্মুক্ত জলমহালের সংখ্যাঃ ১৪১ টি
ঙ) বর্তমান বছরে ইজারাকৃত জলমহালের সংখ্যাঃ 04 টি
চ) মৎস্য বিভাগে হস্তান্তরিত জলমহালের সংখ্যাঃ ১৭ টি
ছ) ইজারা বিহীন জলমহালের সংখ্যাঃ ০৩ টি
৩২। মোট আর্দশ গ্রামের সংখ্যাঃ ১৩ টি
(আর্দশ গ্রাম প্রকল্প-১ এর আওতায়ঃ ১২ টি
(আর্দশগ্রাম প্রকল্প-২ এর আওতায়ঃ ০১ টি
৩৩। আশ্রয়ণ প্রকল্পের সংখ্যাঃ ০৭ টি
৩৪। আবাসন প্রকল্পের সংখ্যাঃ ১৯ টি (বাস্তবায়িত-১৩ টি এবং বাস্তবায়নাধীন-০৬টি)
৩৫। আবাসন প্রকল্পে উপকৃত পরিবারের সংখ্যাঃ ২৮০ টি
৩৬। ভূমি উন্নয়ন করের দাবী ও আদায় বিবরণী জুলাই/২০১০ পর্যন্ত
|
|
মোট দাবী
|
আদায় (জুলাই/২০১০)
|
|
সাধারণ
|
১,৩৮,৮৪,৭৫৮/-
|
১,৫৫,৬৬,১১/-
|
|
সংস্থা
|
৭২,০৬,৬৪০/-
|
১,৩১,৭১০/-
|
|
মোট
|
১৩,৬৪,৭২,০১০/- |
১৬,৮৮,৩২১/- |
বিস্তারিত তথ্যের জন্য ক্লিক করুন
|