|
| ৫ সেপ্টেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে- জন্ম- ১১৮৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন অষ্টম লুইস, তিনি ছিলেন ফ্রান্সের রাজা।
- ১৭৩৫ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ইয়োহান ক্রিস্টিয়ান বাখ, তিনি ছিলেন জার্মান সঙ্গীতস্রষ্টা।
- ১৭৭৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ক্যাস্পার ডেভিড ফ্রেডরিখ, তিনি ছিলেন জার্মান চিত্রকর।
- ১৮৮৫ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন, তিনি ছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি র জন্ম।
- ১৮৮৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ, তিনি ছিলেন ভারতীয় দার্শনিক ও রাজনীতিবিদ ও দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- ১৯৩৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন জর্জ লাযেনবয়, তিনি অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতা।
- ১৯৪০ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন রাকুয়েল ওয়েলশ, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী ও গায়িকা।
- ১৯৪২ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ভের্নার হের্ৎসগ, তিনি জার্মান অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক ও চিত্রনাট্যকার।
- ১৯৪৬ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ফ্রেডি মার্কারি, তিনি ছিলেন তাঞ্জানিয়ার বংশোদ্ভূত ইংরেজ গায়ক, গীতিকার ও প্রযোজক।
- ১৯৪৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ব্রুস ইয়ার্ডলি, তিনি ছিলেন অস্ট্রেলীয় সাবেক ক্রিকেটার।
- ১৯৫৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন রিচার্ড অস্টিন, তিনি ছিলেন সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার।
- ১৯৬০ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ডায় অং, তিনি ছিলেন হংকং কৌতুকাভিনেতা।
- ১৯৬৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন মাথিয়াস সামার, তিনি জার্মান সাবেক ফুটবলার ও ম্যানেজার।
- ১৯৬৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন লিওনার্দো আরাউজো, তিনি ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ও ম্যানেজার।
- ১৯৬৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন মার্ক রবিন রামপ্রকাশ, তিনি ইংরেজ সাবেক ক্রিকেটার ও কোচ।
- ১৯৭০ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন মোহাম্মদ রফিক, তিনি সাবেক বাংলাদেশ ক্রিকেটার।
- ১৯৭৩ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন রোশে মকগোওান, তিনি আমেরিকান অভিনেত্রী।
- ১৯৭৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন জন কেরু, তিনি নরওয়েজিয়ান ফুটবলার।
- ১৯৭৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন আয়ান আলি খান, তিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় যন্ত্রসঙ্গীত শিল্পী (সরোদিয়া)।
- ১৯৮৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন নুরি সাহিন, তিনি তুর্কি ফুটবলার।
- ১৯৮৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন কাট গ্রাহাম, তিনি সুইস বংশোদ্ভূত আমেরিকান অভিনেত্রী, গায়িকা ও ড্যান্সার।
- ১৯৯০ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন কিম ইউনা, তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার ফিগার স্কেটার।
- ১৯৯১ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ইমরান মাহমুদুল হক, তিনি বাংলাদেশী সঙ্গীতশিল্পী।
মৃত্যু- ১১৬৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন নিযো, তিনি ছিলেন জাপানের সম্রাট।
- ১৫৬৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন সোলাইমান আজম, তিনি ছিলেন তুর্কী সুলতান ।
- ১৭৮৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন পর্যটক জন হ্যানয়, তিনি ছিলেন ইংরেজ ব্যবসায়ী।
- ১৮০৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন পিয়ের চোডেরলোস ডি লাক্লোস, তিনি ছিলেন ফরাসি জেনারেল ও লেখক।
- ১৮৫৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন অগুস্ত কোঁত, তিনি ছিলেন ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী।
- ১৮৫৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন সুলেমান বন্দরনায়েক, তিনি ছিলেন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী।
- ১৯০২ সালে মৃত্যুবরণ করেন রুডলফ ভিরচও, তিনি ছিলেন জার্মান নৃতত্ত্ববিদ প্যাথলজিস্ট ও জীববিজ্ঞানী।
- ১৯৪৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন ক্লিমেন্ট ক্লেম হিল, তিনি ছিলেন অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও ফুটবলার।
- ১৯৪৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন রিচার্ড চেইস টলম্যান, তিনি ছিলেন আমেরিকান পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ।
- ১৯৭০ সালে মৃত্যুবরণ করেন জোচেন রিন্ডট, তিনি ছিলেন জার্মান বংশোদ্ভূত অস্ট্রিয়ান জাতি গাড়ী চালক।
- ১৯৭১ সালে মৃত্যুবরণ করেন বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।
- ১৯৭৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন আব্দুল আলীম, তিনি ছিলেন লোক সঙ্গীতের কণ্ঠশিল্পী।
- ১৯৯২ সালে মৃত্যুবরণ করেন ফ্রিটজ লেইবের, তিনি ছিলেন আমেরিকান লেখক ও কবি।
- ১৯৯৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন মাদার তেরেসা, তিনি ছিলেন আলবেনীয় মিশনারী শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
- ১৯৯৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন ফার্নান্দো বালযারেট্টি, তিনি ছিলেন মেক্সিকান অভিনেতা।
- ২০০০ সালে মৃত্যুবরণ করেন রয় ক্লিফটন ফ্রেডেরিক্স, তিনি ছিলেন গায়ানিজ ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ।
- ২০০৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন এম সাইফুর রহমান, তিনি ছিলেন সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য।
- ২০১০ সালে মৃত্যুবরণ করেন হেডলেয় বেয়ারে, তিনি ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান লেখক।
- ২০১৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন রোচুস মিসচ, তিনি ছিলেন জার্মান সার্জেন্ট।
৫ সেপ্টেম্বর: মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে-- কুষ্টিয়ায় মুক্তিবাহিনী সদর থানার বংশীতলা আখ ক্রয়কেন্দ্রের পাশে পাকিস্তানি সেনাবোঝাই ছয়-সাতটি ট্রাক আক্রমণ করে। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। এ যুদ্ধে ৬০ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। এ যুদ্ধ 'বংশীতলার যুদ্ধ' নামে খ্যাত।
- মুক্তিবাহিনী চট্টগ্রামের কাছে রাজাকার ক্যাম্পের ওপর আক্রমণ চালায়। এতে ছয়জন রাজাকার নিহত এবং অনেকে গুরুতর আহত হয়।
- সিলেটে তাজপুর মুক্তাঞ্চলে মুক্তিবাহিনীর অবস্থানের ওপর পাকিস্তানি সেনারা দুবার আক্রমণ চালায়। দুবারই পাকিস্তানি সেনারা মুক্তিবাহিনীর পাল্টা আক্রমণের মুখে টিকতে না পেরে পিছু হটতে বাধ্য হয়। এ সংঘর্ষে একজন পাকিস্তানি হানাদার ও ছয়জন রাজাকার নিহত হয়।
- এম.এ. জিন্নাহর নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা দল চট্টগ্রাম মহানগরের দিকে অগ্রসর হলে মিরসরাই এলাকায় কয়েক দফায় রাজাকার বাহিনী ও পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে লিপ্ত হয়। এতে অনেক রাজাকার ও পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। মুক্তিবাহিনীর এ দলের বিশেষত্ব হচ্ছে শুধু দলনেতা ছাড়া আর সবার বয়স দশ থেকে পনেরো বছরের মধ্যে।
- দিনাজপুরের গোদামারী-বড়কথা এলাকায় মুক্তিবাহিনী পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে লিপ্ত হয়। এ যুদ্ধে আট পাকিস্তানি হানাদার নিহত হয়।
- ৬ নম্বর সেক্টরে মুক্তিবাহিনী দিমপাড়া এলাকায় পাকিস্তানি বর্বরদের ওপর আক্রমণ চালায়। এতে চারজন পাকিস্তানি সৈন্য নিহত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা নিরাপদে নিজ ঘাঁটিতে ফিরে আসে।
- ৮ নম্বর সেক্টরে মুক্তিবাহিনী গোয়ালহাটি এলাকায় পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে এক দুঃসাহসী অভিযান চালায়। এতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পাঁচ সৈন্য নিহত হয়।
|