|
| ৩ জানুয়ারী: ইতিহাসের এই দিনে- ঘটনাবলী- ১৪৩১ সালে জোয়ান অব আর্ককে বিশপের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- ১৪৯২ সালে রানী ইসাবেলা ও ফার্ডিনান্ডের বাহিনীর নিকট যুবরাজ আবু আবদিলের বিশ্বাসঘাতকতায় মুসলিম স্পেনের রাজধানী গ্রানাডার পতন ঘটে। স্পেনের শেষ উমাইয়া রাজা আবুল হাসানের রাজ্য ত্যাগ করেন।
- ১৪৯৬ সালে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি উড়োজাহাজ চালানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
- ১৫২১ সালে পোপ দশম লিও এক ডিক্রি বলে বিখ্যাত খৃষ্ট ধর্মবিদ মার্টিন লুথারকে ক্যাথলিক চার্চ থেকে বহিস্কার করেন।
- ১৭৫৭ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে তাদের আগের বিশেষ অধিকার ফেরত দেন নবাব সিরাজ উদ দৌলা।
- ১৭৭৭ সালে আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধ: জর্জ ওয়াশিংটন প্রিন্সটনের যুদ্ধে ব্রিটিশ জেনারেল চার্লস কর্নওয়ালিসকে পরাজিত করেন।
- ১৭৮০ সালে ডেনমার্কের জাতীয় সংগীত ‘কং ক্রিশ্চিয়ান’ প্রথম গাওয়া হয়।
- ১৭৮২ সালে বাংলাদেশের সিলেট জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৭৯৫ সালে পোলান্ডের তৃতীয় বিভাজনে রাশিয়া-অষ্ট্রিয়ার মধ্যে গোপন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৮৬১ সালে আমেরিকান গৃহযুদ্ধ: ডেলওয়্যার যুক্তরাস্ট্র থেকে বিভক্ত হতে অনিচ্ছা জানায়।
- ১৮৭০ সালে ব্রুকলিন সেতু তৈরির কাজ শুরু হয়।
- ১৮৮০ সালে বোম্বাইয়ে ‘ইলেস্ট্রেটেড উইকলি অব ইন্ডিয়া’ প্রথম প্রকাশিত হয়।
- ১৯১৯ সালে প্যারিস শান্তি সম্মেলন: ইরাকের আমির ফয়সাল ইহুদি নেতা ক্লেম ওয়াইজম্যানের সাথে প্যালিস্টাইনে ইহুদি বসতি নির্মানের চুক্তি করে।
- ১৯২৪ সালে বৃটিশ প্রত্মবিদ হাওয়ার্ড কার্টার এবং তার সহ কর্মিরা লুক্সরের কাছে তুতাংখামেনের পাথরে নির্মিত শবাধার আবিষ্কার করেন।
- ১৯৪৭ সালে মার্কিন কংগ্রেসে প্রথম টেলিভিশনে প্রচার করা হয়।
- ১৯৪৯ সালে ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালে ঢাকায় এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালে আগুনে আইফেল টাওয়ারের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
- ১৯৫৮ সালে স্যার এডমন্ড হিলারি দক্ষিণ মেরুতে পদার্পণ করেন।
- ১৯৫৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডজ ফেডারেশন গঠিত হয়।
- ১৯৫৯ সালে ৪৯তম রাজ্য হিসাবে আলাস্কা যুক্তরাস্ট্রের সাথে যুক্ত হয়।
- ১৯৬১ সালে যুক্তরাস্ট্র কিউবার সাথে কূটনৈতিক সর্ম্পক ছিন্ন করে।
- ১৯৬২ সালে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুকর্ণ পশ্চিম নিউগিনিকে স্বাধীন প্রদেশ ঘোষণা দেন।
- ১৯৬৬ সালে কোসিগিনের প্রচেষ্টায় তাসখন্দে পাক-ভারত শীর্ষ বৈঠক শুরু হয়।
- ১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামী করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৯৭০ সালে ব্রকলিন ব্রিজের কাজ শুরু হয়।
- ১৯৭৬ সালে গ্রীসে স্বৈরাচারী শাসক জর্জ পাপান্ডু পোলাস ও তার কয়েকজন সহচর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।
- ১৯৮২ সালে বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হিসেবে দলে যোগ দেন।
- ১৯৯০ সালে মার্কিন সৈন্যদের কাছে পানামার প্রেসিডেন্ট জেনারেল নরিয়েগা আত্মসমর্পণ করেন।
- ১৯৯৩ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশ ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ইয়েলৎসিনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ পারমাণবিক অস্ত্র হ্রাস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে সাইবেরিয়ায় রাশিয়ার যাত্রীবাহি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১২০ জনের প্রাণহানি ঘটে।
- ১৯৯৮ সালে কেনিয়ায় ড্যানিয়েল আরোপ পঞ্চমবারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৯৯৯ সালে পাকিস্তান শক্তিশারী বোমা বিস্ফোরণে প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের অল্পের জন্যে প্রাণরক্ষা পায়।
- ১৯৯৯ সালে মার্কিন খেয়াযান ‘মার্স পোলারল্যান্ডার’ মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশ্যে উৎক্ষেপণ করা হয়।
জন্ম- ১১৯৬ সালে জাপানের সম্রাট সুচিমিকাডো জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৬৯৮ সালে ইতালির খ্যাতনাম কবি এবং সাহিত্যিক পেদ্রো মেটাসটাসিও জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৭৩২ সালে দানবীর হাজী মুহম্মদ মহসীন জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৬৮ সালে নোবেল জয়ী মার্কিন রসায়নবিদ থিওডোর উইলিয়াম রিচার্ডস জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৭০ সালে অস্ট্রেলীয় ঔপন্যাসিক হেনরি হ্যান্ডেল রিচার্ডসন জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৮৮ সালে নাট্যকার ও চিকিৎসক জেমস ব্রিডি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯১৮ সালে সাংবাদিক খন্দকার আব্দুল হামিদ জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৫৬ সালে অস্ট্রেলীয় অভিনেতা মেল গিবসন জন্মগ্রহন করেন ।
মৃত্যু- ১৫০১ সালে উজবেক কবি ও চিন্তানায়ক নাজিমুদ্দিন মির আলিশের নভোই মৃত্যু বরণ করেন।
- ১৮৭৫ সালে ফরাসি সম্পাদক ও কোষগ্রন’ রচয়িতা পিয়ের আতোনাজ লারুস মৃত্যু বরণ করেন।
- ১৮৯১ সালে ফ্রান্সের রাজা পঞ্চম ফিলিপ মৃত্যু বরণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে কবি কাদের নেওয়াজ ইন্তেকাল করেন।
৩ জানুয়ারী: মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে-- ঢাকার রমনা রেসকোর্স ময়দানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ সমাবেশে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নবনির্বাচিত আওয়ামী লীগদলীয় ৪১৯ জন সদস্য শপথ গ্রহণ করেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সমাবেশে তাঁর নীতিনির্ধারণী বক্তব্য প্রদান করেন।
- আওয়ামী লীগপ্রধান শেখ মুজিবুর রহমান রমনা রেসকোর্স ময়দানের বিশাল জনসভায় বক্তৃতাকালে সাবধান করে বলেন, ষড়যন্ত্র এখনো চলছে। জনতাকে উদ্দেশ করে বঙ্গবন্ধু বলেন, ' আপনারা চরম ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকবেন।' তিনি ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ঘোষণা করেন, '৬-দফার শাসনতন্ত্র প্রণীত হবেই, কেউ এটা ঠেকাতে পারবে না।' বঙ্গবন্ধু তাঁর প্রদত্ত নীতিনির্ধারণী বক্তৃতায় শাসনতন্ত্র প্রণয়নের প্রশ্নে ঘোষণা করেন যে, সংখ্যায় বেশি আছি বলে একথা বলব না যে, কারো সহযোগিতা চাই না। আমরা সহযোগিতা চাই, তবে নীতির প্রশ্নে কোনো আপস নেই। তিনি বলেন, ৬-দফা ও ১১-দফা আওয়ামী লীগ বা মুজিবের সম্পত্তি না, জনতার সম্পত্তি। একে রদবদল করার অধিকার সদস্যদের নেই।
- তিনি উত্তরবঙ্গবাসীদের উদ্দেশ করে বলেন, যমুনার ওপর নিশ্চয় সেতু হবে, টাকার অভাব হবে না। শীতলক্ষ্যা ও মেঘনার ওপরও সেতু নির্মাণের প্রচেষ্টা চালানো হবে। তবে আস্তে আস্তে।
- আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় গেলে কাশ্মীর ও ফারাক্কা বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসার প্রচেষ্টা চালাবেন বলে তিনি ঘোষণা করেন।
- মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী তানুশ্রী সার্দস তিন দিনব্যাপী পূর্ব পাকিস্তান সফর শেষে সন্ধ্যায় স্বদেশের পথে ঢাকা থেকে ব্যাংকক যাত্রা করেন। ঢাকা বিমানবন্দরে মালয়েশীয় মন্ত্রীকে পাকিস্তানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. মালিক এবং ঢাকায় ইন্দোনেশীয় ভাইস কন্সাল বিদায় সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন। পূর্ব পাকিস্তান অবস্থানকালে মালয়েশীয় মন্ত্রী পটুয়াখালী জেলার ঘূর্ণিদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন।
|