৪ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে- বিশেষ দিবসঘটনাবলী- ১৩৩৭ সালে (৭৫৮ হিজরী) খলিফা মনসুর বাগদাদের ভিত্তি স্থাপন করেন।
- ১৫৩৫ সালে ইংরেজি ভাষার প্রথম বাইবেল ছাপা সম্পন্ন হয়।
- ১৮১৩ সালে লর্ড ময়রার বাংলার গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- ১৮৩০ সালে বেলজিয়াম তাদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ১৮৫৫ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উদ্যোগে ও নেতৃত্বে বিধবা বিবাহ আইন প্রবর্তিত হয়।
- ১৮৮৭ সালে কলকাতায় এমারেল্ড থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯১১ সালে সাধারণের ব্যবহারের জন্য প্রথম লন্ডনের পাতাল রেলস্টেশন চালু হয়।
- ১৯৫৭ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা মহাশূন্যে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ স্পুটনিক-১ সাফল্যের সাথে প্রেরণ করে মহাশূন্যের ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার কালপর্বের সূচনা করে।
- ১৯৫৮ সালে আটলান্টিক পারাপারে নিয়মিত বিমান চলাচল শুরু করে।
- ১৯৫৯ সালে সোভিয়েত নভোযান লুনিক-৩ সর্বপ্রথম চাঁদের সবচেয়ে কাছাকাছি গিয়ে ছবি তোলে।
- ১৯৬৩ সালে জাম্বিয়া পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন লাভ করে।
- ১৯৬৩ সালে ক্যারিবিয়ান সমুদ্রে প্রচণ্ড ঝড় উঠেছিল। ঐ ঝড়ে ক্যারিবিয়ান সমুদ্রের সকল দ্বীপ এবং বন্দরের সরঞ্জামাদি আটলান্টিক মহাসাগরে নিমজ্জিত হয়। ভয়াবহ এই তুফানের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার। প্রায় ৬ হাজার লোক এই তুফানে মারা গিয়েছিল। মৃত্যুবরণকারীদের অধিকাংশই ছিল হাইতি এবং কিউবার অধিবাসী ।
- ১৯৬৬ সালে লেসোথা ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- ১৯৭৯ সালে যুগোশ্লাভাকিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদিত হয়।
- ১৯৯২ সালে ব্রাজিলে কারাগারে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা বাধে। এতে ১১১ জন বন্দী নিহত হয়।
- ২০০২ সালে নেপালেন রাজা জ্ঞানেন্দ্রের ভারপ্রাপ্তপ প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবাকে বরখাস্ত করে নির্বাহী ক্ষমতা গ্রহণ করেন।
জন্ম- ১২৮১ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ১০ম লুই, তিনি ছিলেন ফ্রান্সের রাজা।
- ১৭২০ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন জোভান্নি পিরানেসি, তিনি ছিলেন ইতালীয় খোদাইকার ও ভাস্কর।
- ১৭৯৩ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন চার্লস পিয়ারসন, তিনি ছিলেন ইংরেজি আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ।
- ১৮৩২ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন উইলিয়াম গ্রিগস, তিনি ছিলেন একজন আবিষ্কারক।
- ১৮৬১ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ফ্রেডরিক রেমিংটন, তিনি ছিলেন একজন চিত্রশিল্পী।
- ১৮৯৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন আলবার্ট বিটজিয়াম, তিনি ছিলেন সুইজারল্যান্ডের বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক।
- ১৯০৩ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন জন ভিনসেন্ট আটানসফ, তিনি ছিলেন বুলগেরীয় বংশোদ্ভুত একজন মার্কিন পদার্থবিদ।
- ১৯১৬ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ভিতালি গিঞ্জবার্গ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী রাশিয়ান পদার্থবিদ।
- ১৯১৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন কেনিচি ফুকুই, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জাপানি রসায়নবিদ।
- ১৯১৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন মণীন্দ্র রায়, তিনি ছিলেন একজন কবি।
- ১৯৩৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন কার্ট ওয়ুটরিচ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী সুইস রসায়নবিদ ও জৈবপদার্থবিদ।
- ১৯৬৭ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন জাহিদ হাসান, তিনি বাংলাদেশের জনপ্রিয় নাট্যাভিনেতা।
- ১৯৭৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন স্টিফান বুথ, তিনি ইংরেজ অভিনেতা ও গায়ক।
- ১৯৮৯ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ডাকোটা জনসন, তিনি আমেরিকান মডেল ও অভিনেত্রী।
মৃত্যু- ১৬৬৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন রেমব্রন্ট ফান রেইন, তিনি ছিলেন হল্যান্ডের সবচেয়ে বিখ্যাত শিল্পী এবং ইউরোপের ইতিহাসের সেরা চিত্রশিল্পী ও ছাপচিত্রশিল্পী।
- ১৯৪৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন ম্যাক্স প্লাংক, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী জার্মান পদার্থবিদ।
- ১৯৬৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন নাটালিনো অট্টও, তিনি ছিলেন ইতালীয় গায়ক ও অভিনেতা।
- ১৯৭৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন আবুল হাশিম, তিনি ছিলেন চিন্তাবিদ ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
- ১৯৭৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন নেপাল নাগ, তিনি ছিলেন একজন বিপ্লবী।
- ২০০০ সালে মৃত্যুবরণ করেন মাইকেল স্মিথ, তিনি ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ইংরেজ কানাডিয়ান রসায়নবিদ।
- ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন দেফনি স্লেটার, তিনি ছিলেন ইংরেজ অভিনেত্রী।
- ২০১৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন ভো নগুয়েন গিয়াপ, তিনি ছিলেন ভিয়েতনামের যুদ্ধজয়ী বীর।
৪ অক্টোবর: মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে-- বাংলাদেশ সরকারের উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধান সেনাপতি কর্নেল এম এ জি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। তাঁরা পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক বেশ কিছু সফল অভিযানের জন্য মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের অভিনন্দন জানান।
- ৮ নম্বর সেক্টরের হাকিমপুর সাব-সেক্টরে মুক্তিবাহিনী এক প্লাটুন পাকিস্তানি সেনার একটি দলকে কাকডাঙ্গার কাছে অ্যামবুশ করে। উভয় পক্ষের মধ্যে প্রচণ্ড গোলাবিনিময়ে ছয়জন পাকিস্তানি সেনা নিহত ও পাঁচজন আহত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা অক্ষত অবস্থায় নিরাপদে নিজেদের ঘাঁটিতে ফিরে আসেন।
- ৮ নম্বর সেক্টরের হাকিমপুর সাব-সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর একটি অ্যামবুশ দল পাকিস্তানি সেনাদের একটি দলকে সোনাবাড়িয়া-মান্দরা এলাকায় অ্যামবুশ করে। এই অ্যামবুশে সাতজন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়।
- কুমিল্লা জেলার কসবার কাছে মুক্তিবাহিনীর গেরিলাদল তৃতীয় পাঞ্জাব রেজিমেন্টের একটি লঞ্চের ওপর আক্রমণ চালায়। এই সংঘর্ষে পাকিস্তানি সেনাদের লঞ্চটি পানিতে ডুবে যায় এবং অনেক পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়।
- গোপালগঞ্জ মহকুমার কাশিয়ানীর ভাটিয়াপাড়ায় পাকিস্তানি সৈন্যদের অবস্থানের ওপর মুক্তিবাহিনী ত্রিমুখী আক্রমণ চালায়। এতে পাকিস্তানি বাহিনীর ৩০ জন সেনা ও ২০ জন রাজাকার নিহত হয়। এ পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে পাকিস্তানিরা হেলিকপ্টারের সাহায্যে মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর আবার আক্রমণ চালায়। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে তারা ফিরে যেতে বাধ্য হয়।
- যশোরের বেনাপোলে পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী দুজন রাজাকার মুক্তিবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
|