১৫ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে- বিশেষ দিবস- বৈশ্বয়িক হাতধোয়া দিবস।
- বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস ৷
- বিশ্ব স্তন ক্যান্সার দিবস ৷
- বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস
ঘটনাবলী- ১৫৮২ সালে ইতালি ও স্পেন গ্রেগরীয় ক্যালেন্ডার বা খ্রিষ্ট্রীয় সাল প্রবর্তিত। এর ফলে ৫ অক্টোবর ১৫ অক্টোবর হয়ে যায়।
- ১৬৭৬ সালে ব্রিটেনের রাজার কাছ থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি ভারতে টাকা ও পয়সা মুদ্রণের অনুমতি লাভ করে।
- ১৮১৫ সালে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে সম্রাট নেপোলিয়নের নির্বাসনজীবন শুরু হয়।
- ১৮৯৪ সালে ফরাসি গোলান্দাজ বাহিনীর ইহুদি ক্যাপ্টেন আলফ্রেড দারিফুসের বিচার রাজধানী প্যারিসে শুরু হয়। গোয়েন্দাবৃত্তির অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবনের কারাদন্ড দেয়া হয় এবং ফ্রান্স গিনির অন্তর্ভূক্ত ডেভিসল আইল্যান্ডে তাকে নির্জন কারাবাসে প্রেরণ করে।
- ১৯৬৪ সালে চীন প্রথম পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা করে এবং বিশ্বের পঞ্চম পরমাণু শক্তিধর দেশ হিসেবে গণ্য হয়।
- ১৯৬৪ সালে রক্ষণশীলদের পরাজিত করে ১৩ বছর পর ব্রিটেনে লেবার পার্টি ক্ষমতারোহন করে।
- ১৯৬৪ সালে নিকিতা ক্রুশ্চেভ সোভিয়েত ইউনিয়নের রাষ্ট্রপ্রধানের পদ থেকে অপসারিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে সংঘটিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ৩৯ জন ছাত্র, কর্মচারী ও অতিথি নিহত হয়েছিলো। তাঁদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রতি বছর এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শোক দিবস পালন করা হয়।
- ১৯৮৫ সালে সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী মিখাইল গর্বাচেভ অর্থনৈতিক সংস্কারনীতি ‘পেরেস্ত্রইকা (পুনর্গঠন)’ ঘোষণা করেন।
- ১৯৮৬ সালে বিরোধী জোট ও দল কর্তৃক বর্জিত নির্বাচনে লে. জে. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়। দেশব্যাপী হরতাল পালন করা হয়।
- ১৯৯৩ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক উভয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
- ১৯৯৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর প্রথম রাশিয়া ও কিউবার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর।
- ১৯৯৯ সালে অভ্যুত্থানের দু’দিন পর পাকিস্তানে জরুরি অবস্থা জারি এবং জেনারেল মোশাররফ নিজেকে দেশের প্রধান নির্বাহী ঘোষণা করে।
- ২০০৮ সালে সুইডেনের স্টকহোমে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার মোর্চা পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ ফর হ্যান্ডওয়াশিং সর্বপ্রথম হাত ধোয়া দিবসটি পালন করে।
জন্ম- ৭০ খ্রিস্টপূর্বর এই দিনে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন পুবলিয়ুস ভেরগিলিয়ুস মারো, তিনি ছিলেন একজন প্রাচীন রোমান কবি।
- ১৫৪২ ( কারো মতে ) সালে মোগল সম্রাট জালালুদ্দিন আকবর জন্মগ্রহন করেন।
- ১৬০৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন এভামগেলিস্টা টরিচেলি, তিনি ছিলেন ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী ও গণিতবিদ।
- ১৮১৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন মিখাইল লারমন্টভ, তিনি ছিলেন রাশিয়ান লেখক, কবি ও চিত্রশিল্পী।
- ১৮৪৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ফ্রিড্রিখ্ ভিল্হেল্ম নিটশে, তিনি ছিলেন জার্মান সুরকার, কবি ও দার্শনিক।
- ১৮৭৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন ফ্রান্সের পল রেয়নাউড, তিনি ছিলেন ফরাসি আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও ১১৮ তম প্রধানমন্ত্রী।
- ১৮৯২ সালে সাহিত্য সমালোচক শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় জন্মগ্রহন করেন।
মৃত্যু- ১৫৬৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন আন্দ্রে ভেসালিআস, তিনি ছিলেন বেলজিয়ান বংশোদ্ভূত গ্রিক শারীরস্থানবিৎ, চিকিৎসক ও লেখক।
- ১৯১৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন মাতা হারি, ডাচ নৃত্য শিল্পী, তিনি ছিলেন প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে জার্মানীর পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়।
- ১৯১৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন শিরডি সাই বাবা, তিনি ছিলেন ভারতীয় ধর্মগুরু, যোগী ও ফকির।
- ১৯৩৮ সালে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রবক্তা আবুল হোসেন মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৪৫ সালে ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী পিয়েরে লাভালের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়।
১৫ অক্টোবর: মুক্তিযুদ্ধের এই দিনে-- সকাল ৮টায় মুক্তিবাহিনীর এক প্লাটুন যোদ্ধা কুমিল্লার দক্ষিণে পাকিস্তানি সেনাদের একটি অবস্থানের আধা মাইল দূরে বারচর গ্রামে অ্যামবুশ পাতে। এক ঘণ্টা অবস্থানের পর পাকিস্তানি সেনাদের একটি দল তাদের ঘাঁটিতে ফেরার পথে অ্যামবুশের আওতায় এলে মুক্তিযোদ্ধারা তীব্র আক্রমণ চালান। এতে পাকিস্তানি বাহিনীর ১২ জন সেনা নিহত এবং তিনজন আহত হয়।
- ৮ নম্বর সেক্টরে মুক্তিবাহিনী ক্যাপ্টেন মুস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ধোপাখালীতে অবস্থানরত পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণ করে। এই সংঘর্ষে পাকিস্তানি বাহিনীর সাতজন সেনা নিহত এবং অনেক আহত হয়। অন্যদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিলদার আবদুল গফুর, নায়েক শহীদ আলী শহীদ ও ক্যাপ্টেন মুস্তাফিজুর রহমান আহত হন।
- ১১ নম্বর সেক্টরে ক্যাপ্টেন জিয়ার নেতৃত্বে ১০০ মুক্তিযোদ্ধার একটি দল রাজাকার ক্যাম্প আক্রমণে মোরেলগঞ্জ অভিমুখে যাত্রা করে। বিকেল ৩টায় মোরেলগঞ্জ পৌঁছলে মুক্তিযোদ্ধারা পাঁচ ভাগে বিভক্ত হয়ে রাজাকারদের ওপর আক্রমণ চালান। এই আক্রমণে রাজাকারদের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
- ৯ নম্বর সেক্টরের মুক্তিবাহিনীর ক্যাপ্টেন হুদার নেতৃত্বে ঝিকরগাছার কাছে দোশাতিনালে পাকিস্তানি টহলদার দলকে অ্যামবুশ করা হয়। এই অ্যামবুশে পাকিস্তানি বাহিনীর ৩০ জন সেনা নিহত হয়। মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি সেনাদের কাছ থেকে অনেক অস্ত্র ও গোলাবারুদ দখল করেন।
|